July 21, 2026, 12:29 pm
শিরোনাম :
ঈদুল আযহায় সুখ-শান্তি কামনার পাশাপাশি দোয়া চাইলেন মোঃতাইজুল ইসলাম ঈদুল আযহায় শুভেচ্ছা জানালেন সমাজসেবক সবুজ মাতবর পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আশুলিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আজম ভাই জাতীয় সংসদে আবারও মাইক বিভ্রাট অধিবেশন ২০ মিনিট বন্ধ তানিয়া বৃষ্টির মস্তিষ্কে তৃতীয়বার অস্ত্রোপচার, চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন হাতিয়ায় পুকুরে ডুবে ৭ম শ্রেণির ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু পটুয়াখালীতে ১২ কেজি গাঁজাসহ আটক ৪, পুলিশের চৌকস অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিসতা স্বাধীনতা দিবস ফুটভলি চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন এসপির নজরে থামলো প্রতারণা, সাভারে ভূমিদস্যু ফারুক কারাগারে

পটুয়াখালীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি, শিশুদের নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

পটুয়াখালী জেলায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই রোগের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে পটুয়াখালীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের শয্যা সংকটে হিমশিম খাচ্ছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে ৪৬ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি রয়েছেন, যার মধ্যে ৩৬ জনই শিশু। চিকিৎসকদের মতে, আবহাওয়ার পরিবর্তন, দূষিত পানির ব্যবহার এবং শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে অসচেতনতার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে হামের পরবর্তী জটিলতা হিসেবেও শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের ২০ শয্যার ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৪৬ জন রোগীকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। শয্যা সংকটের কারণে অনেক শিশুকে একই বেডে বা মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। রাঙ্গাবালী থেকে আসা এক মা জানান, তার সন্তান ১৪ দিন ধরে অসুস্থ। স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসতে হয়েছে।

শিশুদের মধ্যে পটুয়াখালীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৬ মাস বয়সের আগেই শিশুকে বাড়তি খাবার খাওয়ানো এবং অনিরাপদ পানি পান করানো একটি বড় সমস্যা। শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. সিদ্ধার্থ শংকর দাস বলেন, শিশুদের ৬ মাস পর্যন্ত কেবল মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রাদুর্ভাবও এই ডায়রিয়া বাড়ার পেছনে বড় কারণ হতে পারে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা জানান, শয্যা সংখ্যার তুলনায় রোগী অনেক বেশি হওয়ায় কিছু সমস্যা হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষ সাধ্যমতো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছে। পটুয়াখালীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এবং আক্রান্ত শিশুদের ওরস্যালাইন ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সিভিল সার্জন ডা. মো. খালেদুর রহমান মিয়া জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং চিকিৎসা নিশ্চিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page