September 21, 2026, 4:42 pm
শিরোনাম :
ঈদুল আযহায় সুখ-শান্তি কামনার পাশাপাশি দোয়া চাইলেন মোঃতাইজুল ইসলাম ঈদুল আযহায় শুভেচ্ছা জানালেন সমাজসেবক সবুজ মাতবর পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আশুলিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আজম ভাই জাতীয় সংসদে আবারও মাইক বিভ্রাট অধিবেশন ২০ মিনিট বন্ধ তানিয়া বৃষ্টির মস্তিষ্কে তৃতীয়বার অস্ত্রোপচার, চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন হাতিয়ায় পুকুরে ডুবে ৭ম শ্রেণির ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু পটুয়াখালীতে ১২ কেজি গাঁজাসহ আটক ৪, পুলিশের চৌকস অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিসতা স্বাধীনতা দিবস ফুটভলি চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন এসপির নজরে থামলো প্রতারণা, সাভারে ভূমিদস্যু ফারুক কারাগারে

কালিয়াকৈরে সরকারি দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি গ্যাস

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এপ্রিল মাসের জন্য ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করলেও বাস্তবে বাজারে এর কোনো প্রতিফলন নেই।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ১২ কেজির সিলিন্ডার ২১০০ থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দোকানভেদে দামের কিছু তারতম্য থাকলেও কোথাও সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না।

সরকারি মূল্য বনাম বাস্তবতা

বিইআরসি নির্ধারিত দামের তুলনায় ভোক্তাদের অতিরিক্ত ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। শুধু ১২ কেজির সিলিন্ডার নয়, অন্যান্য মাপের সিলিন্ডারেও ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে।

ভোক্তারা জানান, আগে থেকেই এলপিজির দাম বেশি ছিল। নতুন মূল্য নির্ধারণের পর বিক্রেতারা আরও বেশি দামে বিক্রি করছেন।

চন্দ্রা এলাকার বাসিন্দা সিয়াম হোসেন বলেন,
“আগে ১৮০০-১৯০০ টাকায় কিনতাম, এখন ২২০০ টাকা দিতে হচ্ছে। সরকারি দামে কখনোই এলপিজি পাই না।”

বিক্রেতাদের বক্তব্য

বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ সংকট, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং ডিলার পর্যায়ে বেশি দামে কেনার কারণে তারা বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন।

স্থানীয় এলপিজি ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন,
“আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়, তাই ২১০০ টাকায় বিক্রি করছি। সরকারি দামে পাই না।”

অন্য ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন জানান,
“১২ কেজির সিলিন্ডার ২২০০ টাকা। বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করছি, আমাদের কিছু করার নেই।”

বিশেষজ্ঞদের মতামত

জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাজারে কার্যকর মনিটরিংয়ের অভাব রয়েছে। সরকারি নজরদারি দুর্বল হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন।

তারা দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ নিশ্চিত এবং কঠোর তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page